আদমদীঘিতে ময়লার ভাগার ও পাকা ইমারতে ভরাট হয়ে যাচ্ছে রামশালা খাল

প্রকাশ : 2026-04-17 19:56:06১ |  অনলাইন সংস্করণ

  নিউজ ডেস্ক   

আদমদীঘিতে ময়লার ভাগার ও পাকা ইমারতে ভরাট হয়ে যাচ্ছে রামশালা খাল

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার যখন সারা দেশে খাল খনন প্রকল্প বাস্তবায়ন কাজ করছেন। ঠিক এমন সময় বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলা সদরের পশ্চিম বাজারের পাশ দিয়ে প্রবাহিত রামশালা নামক খালের উপর থাকা সওজের ব্রিজ মুখে ময়লার ভাগার ও অবৈধ ভাবে দুই পাশে খালের জায়গায় পিলার তুলে পাকা ইমারত নির্মাণ করায় ভরাট হয়ে যাচ্ছে। একে তো খালে জমাট বাঁধা কচুরিপানা তার উপর ইমারত নির্মাণ ও ময়লার ভাগারের কারণে আসন্ন বর্ষা মৌসুমে পানি প্রবাহ বন্ধ হয়ে যাবার উপক্রম হয়ে পড়েছে। খালের দুই পাশে মানব সৃষ্ট বন্যা ও জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হবার আশংকা করছেন এলাকাবাসী। এদিকে ওই ময়লার ভাগারের উপরি ভাগে মাঝে মধ্যে কে বা কারা আগুন লাগিয়ে দিয়ে এলাকার পরিবেশ দুষিত করে। পাশাপাশি উন্মুক্ত স্থানের আগুন ছড়িয়ে পড়ে বড় আকারের অগ্নিকান্ডের আশংকায় রয়েছে। 

জানা গেছে, বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলা সদরের পশ্চিম বাজার এলাকা দিয়ে আদিকাল থেকে প্রবাহিত রয়েছে রামশালা খাল। এদিকে, আদমদীঘি গো-হাট, সপ্তাহের দুই হাটবার ও দৈনিক বাজারসহ আশে পাশের আবাসিক এলাকায় প্রতিদিন সৃষ্টি ময়লা ও আর্বজনা গুলো পরিষ্কার করে সুইপাররা রামশালা খালের ওই ব্রিজের দুই পাশের মুখ ঘেঁষে ফেলে আসছে দীর্ঘ দিন থেকে। ফলে ওই সব ময়লার ভাগারের দূর্গন্ধে পথচারীসহ আশে পাশের বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীদের চরম দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে এবং খালটির ব্রিজমুখ ক্রমান্বয়ে ভরাট হয়ে যাচ্ছে। এছাড়া ওই ময়লার ভাগারে কে বা কাহারা প্রায়ই আগুন লাগিয়ে দেয়। ফলে ওই ব্রিজের পুর্বাংশ পুড়ে দুর্বল হয়ে যাচ্ছে। যে কোন সময় ব্রিজটি ভেঙ্গে যাওয়া আশংকা রয়েছে। পাশাপাশি ব্রিজের পশ্চিমে প্রান্তের দক্ষিণ ও উত্তর পাশে খালের তলদেশ থেকে অবৈধ ভাবে পিলার তুলে পাকা ইমারত নির্মাণ করা হয়েছে। প্রশাসনের নাকের ডগায় এ ধরনের কর্মকান্ড চলায় এলাকাবাসীর প্রশ্ন এসব দেখার কি কেউ নেই। 

এলাকার সচেতন মহল জানান, সরকার অতি দ্রæত এই খালের দিকে নজর দিয়ে খালটি পুনঃ খনন ও খালের দুই পাশে অবৈধ স্থাপনা অপসারণ করার দাবী জানান।উপজেলার পশ্চিম বাজার এলাকার বাসিন্দা আফজাল হোসেন, আব্দুল করিম সহ অনেকেই জানান, আমাদের এই রামশালা খালটি অনেক পুরাতন। এই খালে আমরা আগে অনেক মাছ ধরেছি। কিন্তু বর্তমানে খালটি ভরাট ও সব সময় কচরি পানা দিয়ে ভরে থাকার কারণে আমার মাছ পাওয়া যায় না। আমরা সরকারের কাছে দাবী জানায় অচিরেই এসব অবৈধ স্থাপনা ও খালটি পুনঃ খনন করে বর্ষা মৌসুমে পানি প্রবাহের পথ সুগম করার জন্য। 

এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসুমা বেগমের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, অচিরেই সদর ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে সমস্যা সমাধান করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।