কাউনিয়ায় খামারেহাট টু কুটিরপাড় সড়কের বেহাল দশা

প্রকাশ : 2026-02-26 19:35:38১ |  অনলাইন সংস্করণ

  নিউজ ডেস্ক   

কাউনিয়ায় খামারেহাট টু কুটিরপাড় সড়কের বেহাল দশা

রংপুরের কাউনিয়ায় শহীদবাগ ইউনিয়নে বছরের পর বছর সংস্কার না করায় বেহাল দশায় পরিনত হয়েছে জনগুরুত্বপ‚র্ণ বেইলিব্রীজ খামারের হাট থেকে খানসামাহাট সড়কটি। কার্পেটিং, ইট-খোয়া কার্পেটিং উঠে খানাখন্দের সৃষ্টি হওয়ায় যানবাহন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে, প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা। কোথাও কোথাও সড়কের দুইধার ভেঙে গিয়ে সংকুচিত হয়ে পড়েছে। এতে ব্যাহত হচ্ছে কৃষিপণ্যসহ অন্যান্য মালামাল পরিবহন। স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাগবে সড়কটি সংস্কারের দাবি এলাকাবাসীর। প্রায় তিন কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের এ সড়কটির দুই প্রান্তে দুটি বড় হাট-বাজার খামারেরহাট ও খানসামাহাট। এ দুটি বাজারে কৃষিপণ্যসহ অন্যান্য মালামাল পরিবহনে একমাত্র সড়ক এটি। সড়কটি দিয়ে উপজেলার বল্লবিষ্ণু, সাধু কানিপাড়া, ঘুঘুরথান, সাব্দী, গুলশান, মীরবাগ, নাজিরদহ, গ্রামের প্রায় ৫০ হাজার মানুষ চলাচল করে। সড়কটি দীর্ঘদিন সংস্কার না করায় জনমনে ক্ষোভ বাড়ছে। স্থানীয়দের দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করলেও সেটি সংস্কারে কোন উদ্যোগ নেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের।

সরেজমিনে দেখা গেছে, কার্পেটিং উঠে সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় গর্তের। রাস্তার কোথাও কোথাও ইট খোয়ার টুকরো পড়ে রয়েছে। বিশেষ করে খামারেরহাট ঈদগাহ মাঠের কাছে ও মানাসনদীর উপর ব্রীজের কাছে রাস্তাটি সংকুচিত হয়ে ভয়াবহ আকার ধারন করছে। বর্তমানে পায়ে হেঁটে চলাচলের অযোগ্য। তারপরও লক্কর-ঝক্কর এ সড়কে ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন। দেখে বোঝার উপায় নেই রাস্তাটি পাকা ছিল। ১০ ফুট ও ভালো রাস্তা নেই তিন কিলোমিটার জুড়ে। কংক্রিট উঠে ছোট বড় গর্তে আর ধুলোবালিতে পুরো রাস্তা হেঁটে চলা অযোগ্য হয়ে পড়েছে। রিক্সা, সিএনজি, ভ্যান, পিকআপ, মাইক্রো ও চলাচল অনুপযোগি হয়ে পড়েছে। হেলেদুলে কোনোরকমে ঝুঁকি নিয়েই চলছে সব যানবাহন। রোগী বহনে সীমা থাকে না দুর্ভোগের। বল্লবিষ্ণু সরকারী প্রামিক বিদ্যালয়ে আসা শিশু শিক্ষাদের দুর্ভেগের শেষ নেই। অটো চালক জাহেদুল বলেন, আমরা গরিব মানুষ, অটো চালিয়ে রোজগার করে খাই। দীর্ঘদিন ধরে সড়কের বেহাল দশার কারণে যাত্রী পাওয়া যায় না। পাওয়া গেলেও গাড়ি চালাতে গিয়ে দুর্ঘটনা ঘটছে এবং গাড়ি ভেঙে যাচ্ছে। ফলে যাত্রীরাও ভোগান্তিতে পড়েন। স্থানীয় আবুল কালাম জানান সড়কের দুই মাথায় দুটি বড় হাট-বাজারে এবং কোলমতি শিক্ষার্থিদের যাতায়াতের একমাত্র সড়ক এটি। সংস্কার না করায় ব্যস্ততম এই সড়কটি এখন প্রায় পরিত্যক্ত। জনগুরুত্বপূর্ণ বিবেচনায় এই সড়কটি দ্রæত সংস্কার করার দাবি তার। তিনি বলেন, এই এলাকায় প্রচুর ধান-সবজি এবং ফুল উৎপাদন হয়। কৃষকেরা তাদের উৎপাদিত পন্য বাজারে নিতে বিভিন্ন গাড়ি ভাড়া করে। এই সড়কে যাতায়াত করলে গাড়ির অবস্থা খারাপ হয়ে যায়। স্থানীয় হামিদুল্লাহ জানান কোথাও কোথাও রাস্তার দুই ধার ভেঙে চিকন হয়ে গেছে। বেহাল এই রাস্তা দিয়ে চরম ঝুঁকি নিয়ে আমাদের চলাচল করতে হচ্ছে। এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকৌশলী মনিরুল ইসলাম জানান রাস্তাটির সংস্কারের টেন্ডার হয়েছে ঠিকাদারও নিয়োগ হয়েছে রাঙ্গা কনসট্রাকশন খুর দ্রæত সময়ের মধ্যে কাজ শুরু হবে।