বর্ষার আগমনে কাউনিয়ায় কচুরি পানার ফুলে অপরূপ সাজে সেজেছে খাল-বিল-জলাশয়

প্রকাশ : 2026-05-03 18:21:01১ |  অনলাইন সংস্করণ

  নিউজ ডেস্ক   

বর্ষার আগমনে কাউনিয়ায় কচুরি পানার ফুলে অপরূপ সাজে সেজেছে খাল-বিল-জলাশয়

কাউনিয়া এলাকার প্রতিটি খাল-বিলের পারের ডোবায় ফুটছে চমকপ্রদ কচুরি পানার ফুল। কবি ভাষায়, দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া, ঘর হতে শুধু দু’পা ফেলিয়া’- সত্যিকার অর্থে যে অবহেলিত উদ্ভিদ কচুরি পানা তার মনোমুগ্ধকর ফুল বিস্তৃত রয়েছে, যা যেকোন প্রকৃতিপ্রেমীদের বিমুগ্ধ না কোরে পাওে না। কাউনিয়ায় বর্ষার শুরুতেই প্রতিটি গ্রামে বিভিন্ন জাতের ভিন্ন ভিন্ন রঙের কচুরি ফুলের প্রাকৃতিক সেজেছে। 

কাউনিয়ায় মানাস নদী, বেতানীর দোলা, থলের দোলা, নিজপাড়া গ্রাম সহ উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের ডোবা-নালা, বিল-ঝিল কচুরিপানার ফুলে তাদের সৌন্দর্য প্রকাশ করছে। সৌন্দর্যের পাপড়ি মেলে ধরা কচুরিফুলের আহŸানে সাড়া দিয়ে বিভিন্ন এলাকা থেকে কচুরিপানার এই সৌন্দর্য দেখতে আসা তরুণ-তরুণীরা ভিড় জমাচ্ছে। গ্রামের শিশুরা জলাশয় থেকে কচুরিপানার ফুল তুলে খেলা করছে। শুধু তাই নয়, কচুরি ফুল প্রকৃতিপ্রেমীদেরও আকর্ষণ করছে হাঁটা পথেই।

টেপামধুপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রাশেদুল ইসলাম জানান, উপজেলায় প্রচুর ডোবা-নালা, পুকুর, খাল বিল রয়েছে যা ভরাট হয়ে যাচ্ছে। বিগত বছর গুলোতে কচুরিপানা ফুলে এলেকাটিকে অপরূপ সাজে সাজায়। তা প্রায় হারিয়ে যেতে বসেছে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তানিয়া আকতার জানান, কচুরিপানা দ্রæত বৃদ্ধি পায়। যদিও এটি আপাতদৃষ্টিতে ক্ষতিকর মনে হতে পারে, তবে কৃষিক্ষেত্রে এর যথেষ্ট উপকারিতা রয়েছে। কৃষকেরা কচুরিপানা তুলে জমিতে আলু, রসুন, মাস কালাই, পটলসহ নানা সবজি চাষে ব্যবহার করছেন। এখন কচুরিপানা থেকে জৈব সার তৈরি হচ্ছে, ফলে কৃষক ফসল উৎপাদনে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হতে পারে। কৃষকদের কচুরিপানা থেকে জৈবসার উৎপাদনে প্রশিক্ষণ দিলে, তারা উপকৃত হবে এবং বিদেশি রাসায়নিক সার নির্ভরতা কমবে। তাছাড়া, কচুরিপানা গবাদিপশুর খাদ্য হিসেবেও ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।