বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকের গাড়িতে ডাকাতি, গ্রেফতার ২

প্রকাশ : 2025-08-11 13:05:04১ |  অনলাইন সংস্করণ

  নিউজ ডেস্ক   

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকের গাড়িতে ডাকাতি, গ্রেফতার ২

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসরকে প্রাইভেটকারে জিম্মি করে অর্থ আদায়ের ঘটনায় মাদারীপুরের রাজৈরে দায়েরকৃত মামলায় আন্তঃজেলা ডাকাতচক্রের দুই সদস্যকে গ্রেফতার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। এ সময় জব্দ করা হয় ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত একটি প্রাইভেটকারও।

রোববার ভোরে পটুয়াখালীর সদর থানাধীন কালিকাপুর থেকে গ্রেফতার করা হয় হামিদুল হাওলাদার (৩২) ও রাজীব কাজীকে (২৮)। গ্রেফতার হামিদুল পটুয়াখালী সদর উপজেলার উত্তর হাজীখালী এলাকার মৃত আউয়াল হাওলাদারের ছেলে ও রাজীব একই উপজেলার নন্দিপাড়া এলাকার জসিম কাজীর ছেলে। এর আগে গত ১৯ জুন ভুক্তভোগী বাদি হয়ে অজ্ঞাতদের আসামি করে মাদারীপুরের রাজৈর থানায় একটি মামলা করেন।

মাদারীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জাহাঙ্গীর আলম জানান, গত ১৮ জুন সন্ধ্যায় পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের খাদ্য ও পুষ্টি বিভাগরে বিভাগীয় প্রধান (ডিন) প্রফেসর শহিদুল ইসলাম দুমকি উপজেলার লেবুখালী থেকে একটি ভাড়াকৃত প্রাইভেটকারে রাজধানী ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেন। পরে প্রাইভেটকারে শহিদুলকে জিম্মি করে পরিবার থেকে বিকাশের মাধ্যমে ১ লাখ ১৮ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয় ডাকাতচক্র। এছাড়া ওই ব্যক্তির সঙ্গে থাকা এক লাখ ৭০ হাজার টাকাও ছিনিয়ে নেয় দুর্বৃত্তরা। পরে ওইদিন রাত ১০টার দিকে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার পূর্ব স্বরমঙ্গল এলাকায় শহিদুলকে হাতপা বেধে ফেলে রেখে যায় ডাকাতরা।

এই ঘটনার পরদিন রাজৈর থানায় অজ্ঞাতদের আসামি করে মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী। পরে জেলার গোয়েন্দা পুলিশকে মামলার তদন্ত দেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাঈমুল হাছান। তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় ডাকাতির সঙ্গে জড়িত থাকায় অভিযান চালিয়ে পটুয়াখালীর কালিকাপুর থেকে গ্রেফতার করা হয় হামিদুল হাওলাদার ও রাজীব কাজীকে। এ সময় উদ্ধার করা হয় চাকু, ছুঁরি, হাতুড়ি ও প্লাস। জব্দ করা হয় ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত একটি প্রাইভেটকারও। এই ঘটনায় বাকি জড়িতদের ধরতে কাজ করছে গোয়েন্দা পুলিশ।

এদিকে গ্রেফতার হামিদুল ও রাজীবের বিরুদ্ধে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। আইনী প্রক্রিয়া শেষে গ্রেফতার দুইজনকে রোববার বিকেলে আদালতে তোলা হলে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক। 

কা/আ