অবৈধ মজুতের ৩ লাখ ৭২ হাজার লিটার তেল উদ্ধার
এপ্রিল মাসে দেশে জ্বালানি তেলের কোনো সংকট হবে না: জ্বালানি বিভাগ
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ২ এপ্রিল ২০২৬, ১৫:০১ | আপডেট : ২ এপ্রিল ২০২৬, ১৯:০৪
এপ্রিল মাসে দেশে জ্বালানি তেলের কোনো সংকট হবে না বলে জানিয়েছেন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের যুগ্ম সচিব মনির হোসেন চৌধুরী।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সচিবালয়ে জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।মনির হোসেন চৌধুরী বলেন, “এপ্রিল মাসে কোনো সংকট হবে না জ্বালানি তেলের। জ্বালানি নিয়ে নিরাপদে আছে বাংলাদেশ।”
ইরান যে ৬টি জাহাজ হরমুজ প্রণালি দিয়ে ছেড়েছে তারমধ্যে একটি অপরিশোধিত তেলের জাহাজ রয়েছে বলে জানান তিনি। বলেন, “জাহাজটি দেশে আসলে ইস্টার্ন রিফাইনারিতে কোনো সংকট থাকবে না।”
মজুতের প্রবণতা পরিহার করলে জ্বালানির কোনো সংকট থাকবে না বলেও জানান মনির হোসেন চৌধুরী। তিনি বলেন, “প্রত্যেক নাগরিকের এই সময়ে এসে জ্বালানি সাশ্রয় করে জাতিকে রক্ষা করা উচিত। এই সরকার জনগণের সরকার। তাই জনগণের কথা চিন্তা করেই সরকার জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায়নি।”
গত ৩ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারাদেশে অভিযান চালিয়ে ৩ লাখ ৭২ হাজার ৩৮৮ লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার করা হয়েছে। ১ এপ্রিল উদ্ধার করা হয়েছে ২৫ হাজার ৫৩৭ লিটার তেল।
সারাদেশে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে মজুত করা ৩ লাখ ৭২ হাজার ৩৮৮ লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার করেছে জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগ।জ্বালানি তেলের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে গত ৩ মার্চ থেকে ১ এপ্রিল পর্যন্ত ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, উদ্ধার করা জ্বালানির মধ্যে ডিজেলের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। যার পরিমাণ ২ লাখ ৭১ হাজার ৩৭৪ লিটার। এ ছাড়া ৩০ হাজার ৯৬০ লিটার অকটেন ও ৭০ হাজার ৫৪ লিটার পেট্রোল উদ্ধার করা হয়েছে।
অবৈধ মজুত, পাচার ও সরবরাহে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির অপচেষ্টা রোধে এ ধরনের অভিযান জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে জ্বালানি বিভাগ। তারা জানায়, নিয়মিত তদারকি ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
বিভাগটি আরও জানায়, বাজারে জ্বালানির স্বাভাবিক সরবরাহ বজায় রাখা ও ভোক্তাদের স্বার্থ সুরক্ষায় এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
- সর্বশেষ খবর
- সর্বাধিক পঠিত