পঞ্চগড়ে কমেছে লেবু ও শসার দাম, রোজাদারের চাহিদা ছোটো মাছে
পঞ্চগড় প্রতিনিধি:
প্রকাশ: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৪:২৬ | আপডেট : ১ মার্চ ২০২৬, ০২:৪৯
পঞ্চগড়ে মাছের বাজারে রোজাদারদের সমাগম বেশী। মাছের চেয়ে গরু ও ছাগলের মাংসের দর বেশী হওয়ায় মাছ কিনতে বেশী স্বাছন্দ্যবোধ করছে রোজাদাররা। তবে ছোটো মাছের সরবরাহ কমের অজুহাতে দাম আকাশ ছোঁয়া।
রমজানের শুরুতেই সবজি ও মুরগীর বাজার চড়া হলেও পরবর্তীতে তা কমতে শুরু করে। এছাড়া সরকারী পর্যায়ে প্রাণি সম্পদের মাধ্যমে বিক্রি হচ্ছে গুরুর মাংস প্রতি কেজি ৬৫০ টাকা। ৩২ টাকা হালিতে ডিমও বিক্রি করা হচ্ছে। বাজারে ডিম ৩৬ টাকা হালি।তবে বাজার দর নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের নজরদারীর ফলে মাংস ব্যবসায়ীরা মাংসের দাম বাড়াতে পারেনি। রমজানের আগে গরুর মাংসের কেজি বিক্রি করা হয় ৭৫০ টাকা। তবে ছাগল- খাসির মাংসের দাম আগের মতোই আছে।
সোনালি মুরগীর প্রতি কেজি বিক্রি করা হয় ৩২০ টাকা থেকে ৩৪০ টাকা কেজি। তবে তা পরবর্তীতে কমে গিয়ে বিক্রি হচ্ছে ৩০০ টাকা থেকে ২৮০ টাকা। বয়লার মুরগী ১০ টাকা বেড়ে দর হয়েছিল ১৯০ টাকা কেজি। এরপরে কমে গিয়ে এখন ১৮০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে।রোজাদারে মাঝে চাহিদা থাকে লেবু ও শসায়। রমজানের শুরুতেই লেবুর হালি উঠেছিল ৮০ টাকা। এখন লেবু বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা থেকে ৪০ টাকা হালি। শসা বিক্রি হয়েছে ১০০ টাকার উপড়ে। সেই শসা এখন বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৬০ থেকে ৫০ টাকা কেজি।
তবে দেশী পেঁয়াজ এখন খুচরা প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৫ টাকা ও কাঁচা মরিচ ১২০ টাকা ।বাজারে দেশী মাছ সহ ছোটো (গুড়া) মাছের চাহিদা বেশী। তবে মান ভেদে বড় মাছ ২০০ টাকা থেকে ২৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।বাজারে গিয়ে দেখা গেছে নদীর ছোট মাছ ১২ শ টাকা থেকে ৮ শ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। দেশী ছোটো চিংড়ি বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার টাকা কেজি।
রমজানে ইফতারে মধ্যবিত্তদের মাঝে উন্নত খেঁজুরের চাহিদা কিছুটা বেশী। তবে রমজানে আগের দামে খেজুঁর বিক্রি হচ্ছে। নি¤œবিত্তদের ইফতারে ২০০ শ টাকার খেঁজুর উঠলেও মান সম্মত খেঁজুর তারা কিনতে পারছেনা।
ব্যবসায়িদের সূত্রে জানা গেছে, সৌদী সহ মধ্য প্রাচ্যে প্রায় ১ হাজার প্রজাতির খেঁজুর উৎপন্ন হয়। তবে বাংলাদেশে আমদানী শ খানেক জাতের খেঁজুর। বাজারে দেখা যায় , মরিয়ম, আজওয়া মেডজোল, রুথান ,মাবরুব খেঁঁজুরের চাহিদা বেশী। তবে এসব খোলা হিসেবে বিক্রি হয়। দাম প্রতি কেজি ৮ শ থেকে ১ হাজার টাকা। এছাড়া মানভেদে সুক্কারি, চাগাই, খুদরী , ইরানী মরিয়ম , জাহিদি বারহি খেুঁজরের দাম একটু কম। এসব খেঁজুর বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৫ শ টাকা থেকে ৬ শ টাকা।এসব দামি খেঁজুর কিনতে পারছেনা হত দরিদ্র ও শ্রমজীবিরা।
- সর্বশেষ খবর
- সর্বাধিক পঠিত