বগুড়া ও শেরপুরে বিএনপি প্রার্থীর ভূমিধস বিজয়
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ১০ এপ্রিল ২০২৬, ১০:২৩ | আপডেট : ১১ এপ্রিল ২০২৬, ০২:১১
বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনে উপনির্বাচনে বিএনপির দুই প্রার্থী বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন।বগুড়া-৬ আসনে (সদর) উপনির্বাচনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি প্রার্থী ও দলটির জেলা সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাতে উপনির্বাচনের রিটানিং কর্মকর্তা ফজলুল করিম তাকে বিজয়ী ঘোষণা করেন।
ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, উপনির্বাচনের মোট ১৫০ কেন্দ্রের ফলাফলে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী রেজাউল করিম বাদশা পেয়েছেন ১ লাখ ৩৩ হাজার ২১৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের জামায়াতের প্রার্থী আবিদুর রহমান সোহেল পেয়েছেন ৫৬ হাজার ৯০৪ ভোট।
এর আগে সকাল সাড়ে ৭টা থেকে শুরু হয়ে বিরতিহীনভাবে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত এই আসনে ভোটগ্রহণ চলে।
বগুড়া-৬ আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৫৪ হাজার ৪৩ জন। পৌরসভার ২১টি ওয়ার্ড ও সদর উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত এ আসনে মোট কেন্দ্র ১৫০টি এবং বুথের সংখ্যা ৮৩৫টি। এর মধ্যে ৭৮৭টি স্থায়ী এবং ৪৮টি অস্থায়ী বুথ। ১৫০টি কেন্দ্রে মোট ভোট কাস্ট হয়েছে ১ লাখ ৯৩ হাজার ২৯৯টি।
উল্লেখ্য, এই আসনটি থেকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বিপুল ভোটে এই আসনটি থেকে নির্বাচিত হয়েছিলেন। পরবর্তীতে তিনি আসনটি ছেড়ে দেন। ফলে আসনটি শূন্য ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। বৃহস্পতিবার এই আসনে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
অপরদিকে শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বেসরকারি ফলাফলে বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছেন বিএনপির প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাতে শেরপুর জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
জানা গেছে, ধানের শীষ প্রতীকে মাহমুদুল হক রুবেল পেয়েছেন ১ লাখ ৬৬ হাজার ১১৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী আলহাজ মাসুদুর রহমান মাসুদ পেয়েছেন ৪৭ হাজার ৯১ ভোট। এছাড়াও কাঁচি প্রতীকের প্রার্থী মিজানুর রহমান পেয়েছেন ৪৮০ ভোট। এতে প্রায় ১ লাখ ১৪ হাজার ৫৬৬ ভোটের ব্যবধানে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন মাহমুদুল হক রুবেল।
এই আসনে মোট বৈধ ভোটের সংখ্যা ২ লাখ ১৩ হাজার ৬৪৮। বাতিল ভোট ২ হাজার ৮৬। সব মিলিয়ে মোট ভোট পড়েছে ২ লাখ ১৫ হাজার ৭৩৪টি। এর আগে সকাল সাড়ে ৭টা থেকে শুরু হয়ে বিরতিহীনভাবে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলে।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি সারাদেশের সঙ্গে এ আসনেও নির্বাচন হওয়ার কথা থাকলেও এক প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে ভোট স্থগিত করা হয়।শ্রীবরদী ও ঝিনাইগাতী উপজেলা নিয়ে গঠিত এ আসনে ১৭টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা রয়েছে। মোট ১২৮টি ভোটকেন্দ্রের ৭৫১টি ভোটকক্ষে ৪ লাখ ১৩ হাজার ৩৭৭ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পান। পোস্টাল ভোটের জন্য আবেদন করেছিলেন ৩ হাজার ৫৭৪ জন। এর মধ্যে ভোট দিয়েছেন ২ হাজার ১৯ জন।
রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, সুষ্ঠু ও স্বাভাবিকভাবেই ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। কিছু স্থানে জাল ভোটের ঘটনা ঘটলেও জড়িতদের আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে। এ আসনে মোট ভোট পড়েছে ৫২ দশমিক ১৯ শতাংশ।
- সর্বশেষ খবর
- সর্বাধিক পঠিত