মুন্সীগঞ্জে তিনটি আসনে জামানত হারালেন ১২ প্রার্থী
মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৭:৩১ | আপডেট : ১০ আগস্ট ২০২৬, ১২:০৬
মুন্সীগঞ্জে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির প্রার্থীরা বিপুল ভোটে জয় পেলেও অধিকাংশ প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের বিধি অনুযায়ী, প্রদত্ত মোট ভোটের এক-অষ্টমাংশের কম ভোট পেলে প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়।
মুন্সীগঞ্জের তিনটি সংসদীয় আসনে ৩টি আসনে ১৯ জন প্রার্থী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট যুদ্ধে নেমেছিলেন। এর মধ্যে ১২ প্রার্থী তাদের জামানত হারিয়েছেন। মুন্সীগঞ্জ-১ আসনে ৬ প্রার্থীর মধ্যে ৪ প্রার্থীই জামানত হারিয়েছেন। মুন্সীগঞ্জ-২ আসনে ৫ প্রার্থীর মধ্যে ৩ জন এবং মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনে ৮ প্রার্থীর মধ্যে ৫ জনই জামানত হারিয়েছেন। এমনকি আসনটিতে ৪ সংখ্যা স্পর্শ করতে পারেননি ৪ প্রার্থী। আর পুরো জেলায় ৪ সংখ্যা স্পর্শ করতে না পারা প্রার্থীর সংখ্যা ৭।
মুন্সীগঞ্জ-১ (সিরাজদিখান-শ্রীনগর) আসনে ৬ প্রার্থীর মধ্যে ৪ প্রার্থীই জামানত খুইয়েছেন। এরা হলেন কাস্তে প্রতীকের আব্দুর রহমান (৪৪৩), আপেল প্রতীকের রোকেয়া আক্তার (৩২০), হাতপাখা প্রতীকের মো. আতিকুর রহমান খান (৯০৩৯), ফুটবল প্রতীকের মোহাম্মদ মমিন আলী (৩০ হাজার ৬৭৮) এক-অষ্টমাংশ ভোটের শর্ত পূরণ করতে না পারায় জামানত হারিয়েছেন।
তবে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের এ কে এম ফখরুদ্দিন রাজী (১ লাখ ১ হাজার ৫৬৮) ভোট পেয়ে জামানত রক্ষা করতে সক্ষম হয়েছেন। বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী শেখ মো. আব্দুল্লাহ ১ লাখ ৬৭ হাজার ৫৬২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।
মুন্সীগঞ্জ-২ (টঙ্গীবাড়ি-লৌহজং) আসনে ৫ প্রার্থীর মধ্যে ৩ প্রার্থীই জামানত খুইয়েছেন। এখানে চেয়ার প্রতীকের আশিক মাহমুদ (৬৫১), লাঙ্গল প্রতীকের নোমান হোসেন (২ হাজার ৮৫৭) ও হাতপাখা প্রতীকের কে এম বিল্লাল (১৩ হাজার ৩৮৭) জামানত হারিয়েছেন। শাপলা কলি প্রতীকের মাজেদুল ইসলাম পেয়েছেন (৫৮ হাজার ৫৭৩) ভোট। তিনি একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে জামানত রক্ষা করতে পেরেছেন। এই আসনে বিজয়ী বিএনপির প্রার্থী এডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ পেয়েছেন ১ লাখ ২১ হাজার ১৫৪ ভোট।
মুন্সীগঞ্জ-৩ (সদর-গজারিয়া) আসনে ৮ প্রার্থীর মধ্যে ৫ প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন। আনারস প্রতীকের আনিছ মোল্লা (২৯৪), লাঙ্গল প্রতীকের এ এফ এম আরিফুজ্জামান দিদার (৮০৪), কাস্তে প্রতীকের শেখ মো. কামাল হোসেন (৩০৪) ও কোদাল প্রতীকের শেখ মো. শিমুল (১৭৪), হাতপাখা প্রতীকের সুমন দেওয়ান (৬ হাজার ৩৯২) ভোট পেয়ে জামানত হারিয়েছেন। অন্যদিকে ফুটবল প্রতীকের মো. মহিউদ্দিন (৮৮ হাজার ৯৩৬) ও রিকশা প্রতীকের নুর হোসাইন নুরানী (৫৪ হাজার ৪৫৬) ভোট পেয়ে নিজেদের জামানত রক্ষা করেছেন। এ আসনে বিএনপির প্রার্থী মো. কামরুজ্জামান রতন ১ লাখ ২৪ হাজার ৬৯১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন।
- সর্বশেষ খবর
- সর্বাধিক পঠিত