দুর্গাপুরের তাহেরপুর ফিলিং স্টেশনে তেলবাজি গড়ে তুলেছেন শক্তিশালী মোটরসাইকেল সিন্ডিকেট 

  নাজিম হাসান,রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি:

প্রকাশ: ১২ এপ্রিল ২০২৬, ১৮:০২ |  আপডেট  : ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৩৯

দেশে জ্বালানি তেলের সংকটের সুযোগ নিয়ে রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার সীমান্ত এলাকার পুঠিয়া-তাহেরপুর মেইন সড়কে অবস্থিত তাহেরপুর ফিলিং স্টেশনে গড়ে উঠেছে শক্তিশালী মোটরসাইকেল সিন্ডিকেট। এদের দৌরাত্ম্যে পেট্রোল এবং অকটেনের জন্য সাধারণ মোটরসাইকেল চালকদের মধ্যে দেখা দিয়েছে চরম হাহাকার। ঘণ্টার পর ঘণ্টা রোদের মধ্যে দাঁড়িয়ে থেকেও অনেকেই তেল না পেয়ে হতাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছেন। বাধ্য হয়ে তারা দ্বিগুণ দামে বাইরে থেকে পেট্রোল ও অকটেন কিনছেন। এভাবে প্রতিদিন সিন্ডিকেট সদস্যরা কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে সাধারণ চালকদের পকেট কাটছেন। আর এসব ফিলিং স্টেশন বা পাম্প থেকে তেল সংগ্রহে সিন্ডিকেটের সদস্যরা নিয়েছেন অভিনব কৌশল। এর অংশ হিসাবে যেসব পাম্পে তেল দেওয়া হবে, তার আগের দিন দুপুর থেকে বিকালের মধ্যেই পাম্প সীমানার মধ্যে রেখে আসছেন শত শত মোটরসাইকেল। এক্ষেত্রে তাদের সহযোগিতা করছেন পাম্পের কর্মচারিরা। অভিযোগ রয়েছে, সিরিয়ালে থাকা সাধারণ মোটরসাইকেল চালকরা বঞ্চিত হলেও সিন্ডিকেট চক্রের সদস্যরা পাম্পের কর্মচারীদের ‘উৎকোচ’ দিয়ে দ্বিগুণ পরিমাণ তেল নিচ্ছেন। তার ফলে বাগমারার তাহেরপুর টু পুঠিয়া মেইন সড়কে চরম ভোগান্তি দেখে দেখা দিচছে। এর ফলে ভোর রাত থেকে  পর্য়ন্ত এ অবস্থায় বাস,ট্রাক,মোটরসাইকেল ও বিভিন্ন যানবাহনসহ সাধারণ মানুষ বিপাকে পড়েন। অভিযোগ উঠেছে বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা কাগজপত্র বিহীন মটরসাইকেল নিয়ে কর্মহীন বেকার টকাই তরুণরা এ কর্মকাÐের সঙ্গে যুক্ত হয়ে পড়েছেন। এর মাধ্যমে তারা প্রতিদিন দেড় থেকে দুই হাজার টাকা আয় করছেন তেল বিক্রি করে। তবে দুর্গাপুর উপজেলার সীমান্ত এলাকার তাহেরপুর ফিলিং স্টেশনে একই অবস্থা দর্ঘিদিন বিরাজ করলেও দুর্গাপুর উপজেলা প্রশাসন রয়েছে নিরবতার ভুমিকায়।

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত