পঞ্চগড়ে প্রগেসিভ লাইফ ইন্সুরেন্সের ম্যানেজারের বিরুদ্ধে গ্রাহকের টাকা আত্নসাতের অভিযোগ

  পঞ্চগড় প্রতিনিধি  

প্রকাশ: ১২ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৫৭ |  আপডেট  : ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৪০

পঞ্চগড়ে  প্রগেসিভ লাইফ ইন্সুরেন্সের ম্যানেজারের বিরুদ্ধে গ্রাহকের টাকা আতœসাতের অভিযোগ উঠেছে।এবিষয়ে পঞ্চগড় জেলা প্রশাসক বরাবরে একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী একরাম আলী । যার গ্রাহক সদস্য নম্বর ০৫২৬৫৯৯-৩।ওই লিখিত অভিযোগ প্রগেসিভ লাইফ ইন্সরেন্স পঞ্চগড় শাখার ম্যানেজার  বেলাল হোসেন ও মাঠ কর্মী সাইদুর রহমানকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

ওই লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে জানা যায়, অভিযোগকারী বিগত ০৯/০১/২০১০ প্রগেসিভ লাইফ ইন্সরেন্সের সদস্য হয়ে বীমার বিধি অনুযায়ী প্রতি বছরান্তে ৩৯৯৪ টাকা হিসেবে মোট ১২ বছরে ৪৭৯২৪ টাকা প্রদান করলে তা দ্বিগুন আকারে দেওয়ার প্রতিশ্রতি দেন।

অভিযোগকারী একরাম আলী তার লিখিত অভিযোগে জানান, নিয়মানুযায়ী তার বাৎসরিক প্রিমিয়ার হিসেবে টাকা জমা দেওয়ার পর গত ০৯/০১/২০২১ সালে তা শেষ হয়।

এরপর নিয়মানুযায়ী জমাকৃত সহ দ্বিগুন পাওনা টাকা অফিসে চাইতে গেলে জানানো হয় টাকা এখন হবেনা, আমরা হেড অফিসে যোগযোগ করি। এভাবে ম্যানেজার তাকে ২০২১ সাল হতে ওই নগদ প্রদানকৃত টাকা ও লাভের দ্বিগুন টাকা না দিয়ে হয়রানী করে আসছে। 

এরপর সর্বশেষ গত ০৮/০২/২৬ সকাল ১১ টার দিকে   প্রগেসিভ বীমা অফিসে গিয়ে সেই টাকা চাইলে ম্যানেজার বলেন ১০ হাজার টাকা প্রদান করলে আপনার টাকা ফেরত পাবেন। এতে একরাম আলী হতভম্ব হয়ে পড়েন।

তিনি ওই অভিযোগে উল্লেখ করেন তার সাথে প্রতারণা  করে ম্যানেজার বেলাল হোসেন ও মাঠকর্মী প্রচলিত আইন ও নীতিমালা লঙ্ঘন করেছেন। আমি একজন গরীব মানুষ, অতিকষ্টে বীমার টাকা দিয়ে পরিবার পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছি ।

এ বিষয়ে মাঠকর্মী সাইদুর রহমান মুঠোফোনে বলেন, অভিযোগকারী আমার খালু। তিনি নিয়ম মাফিক তার টাকা জমা দেওয়া হয়েছে। ম্যানেজার বেলাল স্যার ওই টাকা জমা নিয়েছেন। তার সব ডকুমেন্ট অফিসে  ও একরাম খালুর কাছেও আছে।

এবিষয়ে ম্যানেজার বেলাল হোসেনের মুঠোফোনে যোগযোগ করা হলে তিনি বলেন আমি অসুস্থ। এ বিষয়ে আমি কিছু জানিনা। আমাকে সদস্য নম্বরটি দেন।
 

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত