১১ মাস পর বাংলাদেশীর লাশ ফেরত দিলেন বিএসএফ
পঞ্চগড় প্রতিনিধি
প্রকাশ: ৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৩৬ | আপডেট : ৪ এপ্রিল ২০২৬, ১৬:২৩
সীমান্ত এলাকায় ঘাস কাটতে গিয়ে আজিজুর রহমান (৫০) ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী-বিএসএফ’র হাতে আটক হওয়ার ১১ মাস পর ফিরলেন লাশ হয়ে।
তার বাড়ি ঠাকুরগাঁও জেলার রানীশংকৈল উপজেলার ধর্মগড়ের শাহানাবাদ এলাকায়। গত শুক্ররবা র(৩এপ্রিল) পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা সীমান্ত দিয়ে বেলা তিনটার দিকে বিএসএফ - বিজিবির উপস্থিতিতে তার মরদেহ তেতুঁলিয়া থানা ও বাংলাবান্ধা ইমিগ্রেশন পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়।
এসময় তেঁতুলিয়া থানার ওসি রাসেদুল ইসলাম ,বিজিবির বাংলাবান্ধা বিওপির কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার ইউনুস সহ কলকাতায় নিযুক্ত বাংলাদেশের উপ-হাইকমিশনারের কর্মকর্তা নিহত আজিজুরের আতœীয়-স্বজনেরা উপস্থিত ছিলেন।পরবতীতে তেতুঁলিয়া থানা পুলিশ আইনী প্রক্রিয়ায় আজিজুর রহমানের জামাতা দুলাল ও ভাতিজা সোহেল রানার কাছে হস্তান্তর করে।
পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়,রানীশংকৈল উপজেলার ধর্মগড় ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী শাহানাবাদ এলাকার বাসিন্দা আজিজুর রহমান ১৫ মে ২০২৫ সালে লোকালয়ে সীমান্তে ঘাস কাটতে যায়। এসময় ভারতের ১৮৪ বিএসএফ ব্যাটালি য়ন আওতাধীন আমবাড়ি ক্যাম্পের বিএসএফ সদস্যরা তাকে ধরে নিয়ে যায়।
আটকের পর বিএসএফ তার উপড় নির্যাতন চালায় বলে দাবি পরিবারের। এর একপর্যায়ে শিলিগুড়ি জেলা কারাগারে পাঠানো হয় আজিজুর রহমানকে।
ঘটনাক্রমে এ বছরের ২২ মার্চ আজিজুর রহমান অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে শিলিগুড়ি সদর মেডিকেলে ভর্তি করা হয়। পরে ওইদিন দুপুর তিনটার দিকে তিনি মারা যান। পরবর্তীতে বাংলাদেশ-ভারতের কূটনৈতিক ও প্রশাসনিক যোগাযোগের মাধ্যমে তার মরদেহ ফিরিয়ে আনার চেষ্টা অব্যাহত থাকে।
তার পরিবার জানায়, বিএসএফ তাকে আটক করার পর উভয়পক্ষের সাথে ধস্তাধস্তি হয়েছিল। এরপর আজিজুর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে বিএসএফ তাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করে। পরে তাকে সেখান থেকে ধরে নিয়ে ভারতের হাসপাতালে চিকিৎসা করার পর তাকে শিলিগুড়ি কারাগারে পাঠানো হয়। কারাগারেই আজিজুর রহমান মারা যান।
- সর্বশেষ খবর
- সর্বাধিক পঠিত